আমাদের মাদরাসার পরিচিতি
কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক আদর্শ ইসলামী শিক্ষার এক নির্ভরযোগ্য বিদ্যাপীঠ
ভূমিকা
যে জাতি যত বেশী শিক্ষিত সে জাতি তত বেশী উন্নত। শিক্ষাই মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে পরিচালিত করে। আদর্শ সমাজ বিনির্মানে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। তবে এই শিক্ষা অবশ্যই হতে হবে কুরআন-সুন্নাহ্ ভিত্তিক আদর্শ ইসলামী শিক্ষা।
এ দর্শনের আলোকে ১৮৬৬ সালে পশ্চিমা শিক্ষা ব্যবস্থা ও সাংস্কৃতির বিরুদ্ধে মুসলমানদের সতর্কীকরণ ও শিক্ষা সাংস্কৃতিকে কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক পরিচালনার নিমিত্তে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বিশ্বখ্যাত ইসলামী বিদ্যাপীঠ "দারুল উলুম দেওবন্দ"। আমাদের মাদরাসাটিও সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় প্রতিষ্ঠিত।
পূর্ণ নাম
হোসাঈনাবাদ মদিনাতুল উলুম মাদরাসা
অবস্থান
তেলিয়া, শিবপুর, নরসিংদী
প্রতিষ্ঠাতা ও মুহতামিম
আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আমান উল্লাহ সাহেব
প্রতিষ্ঠাকাল
১৯৯৩ ইং
প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট ও সূচনা
মানুষকে মনুষত্ব শিখাবার জন্য ইসলামী শিক্ষা অপরিহার্য। কিন্তু আমাদের এই তেলিয়া/কুমরাদী এলাকায় ইসলামী শিক্ষার এতটাই অভাব ছিল যে, শতকরা ৯৮ জন মানুষের কুরআনে কারীমের তেলোয়াতই অশুদ্ধ ছিল।
তাই ১৯৯৩ সালে এই এলাকারই কৃতিসন্তান আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুহাঃ আমান উল্লাহ সাহেব খুব স্বল্প পরিসরে ছোট্ট একটি ঘরে শুরু করেন মাদরাসার যাত্রা। সন্দীপ এর পীর সাহেব মাওলানা ইদ্রীস (রহঃ) এর নেক নজর ও দোয়ায় এবং মুহতামিম সাহেবের রাত-দিন কল্পনাতীত পরিশ্রমের বদৌলতে আজ এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমান মহিরুহে রূপান্তরিত হয়েছে।
জান্নাতুল বুশরা বালিকা মাদরাসা
২০০৪ সালে মেয়েদের দ্বীনি শিক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয় পৃথক এই শাখা। বর্তমানে এখানে ৩০০ জন ছাত্রী নিয়মিত লেখাপড়া করছে। মিশকাত জামাত পর্যন্ত পাঠদান করা হচ্ছে এবং অচিরেই দাওরায়ে হাদিস ক্লাস চালু করা হবে ইনশাআল্লাহ। সম্পূর্ণ শরয়ী পর্দা ও সুউচ্চ দেয়াল বেষ্টিত এই শাখাটি ১৮ জন দক্ষ শিক্ষিকা দ্বারা পরিচালিত।
আমাদের লক্ষ্য
- কুরআন ও সুন্নাহর পরিপূর্ণ তালীম দান করা।
- নেক আমল ও আখলাকে নববীর আলোকে জীবন গড়া।
- আকাবিরে দ্বীনের যোগ্য উত্তরসূরী তৈরি করা।
আমাদের উদ্দেশ্য
- যুগ-জিজ্ঞাসার সঠিক উত্তর প্রদানে সক্ষম আলেম তৈরি।
- বাতেল ফিরকার মোকাবেলায় খাঁটি মুবাল্লিগ তৈরি।
- উন্নত লেখনী ও বাক শক্তির বিকাশ ঘটানো।